৩৩ দিনে এসেছে ৬ হাজার ২ শ মেট্টিক টন

মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত

শুক্রবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৯ | ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ | 119 বার

মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত

পেঁয়াজের সংকট মোকাবেলায় পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে আমদানি হচ্ছে শত শত মেট্টিক টন পেঁয়াজ। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে এসব পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে এ বন্দর দিয়ে ৩ হাজার ৫৭৩ দশমিক ১৪১ মেট্টিক টন পেঁয়াজ মিয়ানমার থেকে আমদানি করেছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম দুই দিনে মিয়ানমার থেকে ১ হাজার ৮০০ মেট্টিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। বন্দরে আরো প্রায় ৮০৩.৭৯৮ মেট্টিক টন পেঁয়াজ বোঝাই ট্রলার নোঙর করা রয়েছে। এছাড়া ১৪ টি পেঁয়াজ বোঝাই ট্রলার বন্দরের পথে রওনা দিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
এদিকে মিয়ানমার থেকে রেকর্ড পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি সত্ত্বেও অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে স্থানীয় বাজারে গত কয়েক দিন আগেও পেঁয়াজের উচ্চ দাম থাকলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭০ টাকা দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এবং একই সাথে বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পেঁয়াজের অতিরিক্ত মূল্য আদায়কারী ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় কক্সবাজারের গতকাল থেকেই পিয়াজের বাজার অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে বলেই জানান সাধারণ ভোক্তারা।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন জানান, পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির কোনো সুযোগ নেই। আমরা কক্সবাজারের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য ৭০ টাকা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে কোন ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মূল্য আদায় করলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরে পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানান পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকবে। তবে অনেক ব্যবসায়ী আমদানিকৃত পেঁয়াজ দ্রুত খালাসে বন্দর শ্রমিক অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন। তাদের অভিযোগ মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ বোঝাই ট্রলার গুলো বন্দরে পৌঁছার সাথে সাথে শ্রমিক সংকটের কারণে তার দ্রুত সময়ে খালাস করার কোন ব্যবস্থা নেই।
টেকনাফ স্থলবন্দরে আমদানিকারক এমএ হাসেম বলেন, আমরা দেশের পেঁয়াজের সংকট মুহূর্তে মিয়ানমার থেকে বেশি পরিমাণে পেয়াঁজ আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দ্রুত সময়ে আমদানিকৃত পেঁয়াজগুলো খালাস করে তা চট্টগ্রামের সরবরাহ করা হচ্ছে। মিয়ানমারের রপ্তানিকারকরা চলতি মাসেও প্রচুর পরিমাণ পেঁয়াজ পাঠাবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন।
টেকনাফ স্থল বন্দরে শুল্ক কর্মকর্তা আফসার উদ্দিন জানান, টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অতীতের যেকোনো রেকর্ড ছাড়িয়েছে। আশা করছি চলতি অক্টোবর মাসে এ বন্দর দিয়ে রেকর্ড পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি হবে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদেরকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে এবং অব্যাহত থাকবে।

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2019

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!