সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদন

ভারি বর্ষণে ৫ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত

শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৮:৩৫ অপরাহ্ণ | 108 বার

ভারি বর্ষণে ৫ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত

গত সপ্তাহ ধরে ভারি বর্ষণে উখিয়া ও টেকনাফে স্থানীয় জনগোষ্ঠি সহ রোহিঙ্গা শিবিরে থাকা ৫ লাখেরও বেশী শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকায় বসবাসরত রোহিঙ্গাদের ভুমি ধ্বস ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে সেভ দ্য চিলড্রেন বলছেন, রোহিঙ্গাদের এমন একটি জায়গায় পুর্নবাসন করা হউক, যাতে করে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারে। বৃহস্পতিবার (১২) আগস্ট পাঠানো এক মেইল বার্তায় ‘সেভ দ্য চিলড্রেন উদ্বেগ জানিয়েছেন।

সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজার অফিসের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর উম্মে হাবিবার মেইল থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘আগামী দিন গুলোতে আবহাওয়া আরো খারাপ হলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও স্থানীয়দের মধ্যে মানবিক সংকট দেখা দিবে। ফলে হতাহত ও বাস্তুচ্যুতি সহ পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া ঝুঁকি তৈরী হবে’।
সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ইশতিয়াক মান্নান

জানিয়েছেন, ‘কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির ও স্থানীয় জনগোষ্ঠির প্রায় ৫ লাখ শিশুর নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন। আগামীতে বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় আরো ঝুঁকিতে পড়তে পারে এসব শিশুরা। ইতিমধ্যে বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ধসে পড়ে ৩জন বাংলাদেশী শিশু নিহত হয়েছে। তাই এসব শিশুদের রক্ষা জরুরী হয়ে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তণের কারণে সামনের দিন গুলো আরো খারাপ হওয়ার আশংকা রয়েছে’।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা রেসপন্সের সেভ দ্য চিলড্রেনের টিম লিডার ডেভিড স্কিনার বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেভ দ্য চিলড্রেনের কর্মীরা পুরো নজরধারীর মাধ্যমে অক্রান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো গুলো দ্রুত মেরামতের পাশাপাশি জরুরী সেবা গুলো অব্যাহত রেখেছেন। ভারি বর্ষণে ডজন শিক্ষা কেন্দ্র, শিশু বান্ধব কেন্দ্র সহ অন্তত ২শ’ সেবা কেন্দ্র আংশিক ও পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব কেন্দ্র গুলো দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন। এতে করে শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সহযোগি পরিবেশ গড়ে তোলা খুবই দরকার’।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে সেভ দ্য চিলড্রেন ৪লাখেরও বেশী শিশুসহ ৭লাখ ৪৫হাজার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠির কাছে মানবিক সহায়তা পৌছে দিয়েছেন। দুই সহ¯্রাধিক কর্মীও মাধ্যমে শিশু সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পানি ও সেনিটেশন পরিসেবার পাশাপাশি বিতরণ করেছে খাদ্য সামগ্রী। ২লাখ ৫৩ হাজার শিশুসহ অর্ধেক রোহিঙ্গাকে চাল, ডাল, রান্নার তেলসহ নানা রকম নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছেন।

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2019

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!