এইমাত্র পাওয়া

x

ভারি বর্ষণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলদুর্ভোগ

রবিবার, ০৭ জুলাই ২০১৯ | ১২:৪৩ অপরাহ্ণ | 143 বার

ভারি বর্ষণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলদুর্ভোগ

ভারি বর্ষণ ও ধমকা হাওয়ায় কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু এলাকার জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে ভারি বর্ষন অব্যাহত থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। শহরের সমিতিপাড়া, কুতুবদিয়াপাড়া, বাজারঘাটা, রুমালিয়ারছড়া, আলিরজাহাল, তারাবনিয়ারছড়া, বার্মিজ মার্কেট, কলাতলী সহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের হাটুপরিমাণ কাঁদাপানিতে সয়লাভ হয়েছে। এছাড়াও জেলার চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, রামু, সদর, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার কিছু কিছু এলাকার নিম্নঅঞ্চল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
কক্সবাজার শহরের ১নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর মো: আকতার কামাল জানিয়েছেন, ‘ সকাল থেকে ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় বিভিন্ন এলাকায় জলবন্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে। শনিবার বিকালের দিকে জোয়ারের পানিতে উত্তর কুতুবদিয়াপাড়া, হিন্দুপাড়া সহ অন্তত ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের ১০টি বাড়ি ভেঙ্গে গেছে।

কক্সবাজার শহরের ৪নং টেকপাড়া এলাকার কলেজ ছাত্র মাহিম উদ্দিন মিরাজ সিকদার জানান, ভারি বৃষ্টিতে শহরের নুর ম্যানসন থেকে টেকপাড়া সমুহনী, হাঙ্গরপাড়া, আমেনাখাতুন স্কুল ও জনতা সড়কে হাটুপরিমাণ পানিতে সয়লাভ হয়েছে।
উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুুরুল আমিন চৌধুরী জানিয়েছেন, জালিয়াপালং ইউনিয়নের লম্বরীপাড়া, পাইন্যাশিয়া সহ বিভিন্ন এলাকা বৃষ্টির পানিতে একাকার হয়ে গেছে। এতে করে শ্রমিক, দিনমজুর সহ সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস বলছে, টানা বৃষ্টিপাত আরও এক সপ্তাহ থাকবে। এতে করে পাহাড় ধসের আশংকা দেখা দিয়েছে। ৩নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত এখনও বলবৎ রয়েছে। সাগর উত্তাল রয়েছে। মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকা সমুহে সাগরের কাছাকাছি নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বেশ সক্রিয় থাকায় জেলার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে

কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। শনিবার গত ২৪ ঘন্টায় কক্সবাজার জেলায় সর্বোচ্চ ৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকলে পাহাড় ধসের আশংকা রয়েছে।

আবরারের মৃত্যু আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গেল – ইশতিয়াক আহমেদ
দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2019

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!