বারবাকিয়া বাজারে সংঘর্ষ : হামলাকারীরা দিল থানায় এজাহার

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০ | ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ | 6 বার

বারবাকিয়া বাজারে সংঘর্ষ : হামলাকারীরা দিল থানায় এজাহার

পেকুয়ায় বারবাকিয়া সওদাগর হাটে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এর ১ দিনের ব্যবধানে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করল পেকুয়া থানা পুলিশ। সরেজমিন তদন্ত ও ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত ধারণা পেতে পুলিশ সওদাগর হাট পরিদর্শন করেছে। পুলিশের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে ওই স্থানে জড়ো হন শত শত প্রত্যক্ষদর্শী ও বাজারের ব্যবসায়ী। পুলিশ স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ স্বীকারোক্তি নিয়েছেন। ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর দেড়টার দিকে পেকুয়া থানার এস,আই সঞ্চিত চন্দ্র নাথসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স তদন্ত করতে সেখানে পৌছেন।
এ দিকে বারবাকিয়া বাজারে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে দুবৃর্ত্তরা। ঘটনার জের ধরে বারবাকিয়া বাজারে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জখমী ৩ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। হেলাল উদ্দিন ও মো: করিমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় এ ২ জনকে চমেক হাসপাতালে রেফার করে। উত্তেজনা প্রশমিত করতে গত ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে পেকুয়া থানা পুলিশ অবস্থান জোরদার করেছে। হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ পাহাড়ীয়াখালী গ্রামে বিএনপি নেতা জাফর মেম্বারের বাড়িতে তল্লাশী দিয়েছে। তবে এর সুত্র ধরে পেকুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করা হয়। স্থানীয়রা জানান, হামলায় জড়িত জাফর মেম্বারের পক্ষ থেকে ওই এজাহারটি তড়িৎ থানায় পৌছানো হয়েছে। এর ভিত্তিতে পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে তদন্তের জন্য যান। প্রত্যক্ষদর্শী জয়নাল আবদীন জানান, চকরিয়া থেকে ভাড়াটে লোকজন এনে জাহাঙ্গীর মেম্বারকে তুলে নিতে চেষ্টা চালানো হয়। আমরা দ্রæত জড়ো হয়ে সেটি পন্ড করে দিয়েছি। জাফর মেম্বারের ছেলে এরশাদ ভাড়াটে লোকজনকে একটি গাড়ীতে করে এখানে নিয়ে আসে। এরপর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জাহাঙ্গীর মেম্বারকে ধৈর্য্যধারন করতে দেখেছি। এরপরও এরশাদ ও তার কয়েক ভাই মিলে পরিকল্পিত হামলা আরম্ভ করে। ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন জানান, আমার চোখের সামনে মুহুর্তের মধ্যে তারা মারধর শুরু করে দেয়। মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে ন্যাক্কারজনক হামলা করে। ওয়ার্ড আ’লীগ সাধারন সম্পাদক মইদুর রহমান বলেন, আমরা দ্রæত গিয়ে জাহাঙ্গীর মেম্বারকে উদ্ধার না করলে গাড়ীতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যেত। হামলা করেছেন যারা থানায় অভিযোগও দিয়েছেন তারা। প্রকৃত জখমীরা বাঁচানোর প্রচেষ্টায় আছে। কাপড় ব্যবসায়ী শেখ ফরিদ জানান, আমাদের মধ্যে ভূল বুঝাবুঝি থাকতে পারে। তবে এ নয় যে চকরিয়া থেকে সন্ত্রাসী ভাড়া করে এখানে নিয়ে আসতে হবে। মূলত ভাড়াটে লোকজন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়। পেকুয়া থানার এস,আই সঞ্চিত চন্দ্র নাথ জানান, তদন্তে গিয়েছিলাম। আরও তদন্ত চলবে। এরপর করনীয় পদক্ষেপ নিবে পুলিশ।

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2020

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!