এইমাত্র পাওয়া

x

পেকুয়ায় মানবপাচার চক্রের মূলহোতা আটক, আদালতে স্বীকারোক্তি

রবিবার, ০৪ আগস্ট ২০১৯ | ৬:৫৫ অপরাহ্ণ | 56 বার

পেকুয়ায় মানবপাচার চক্রের মূলহোতা আটক, আদালতে স্বীকারোক্তি

পেকুয়ায় মানবপাচারের ঘটনায় একরামুল হক প্রকাশ জুয়েল নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার শহর থেকে পেকুয়া থানার এসআই কাজী আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাকে আটক করে।
আটক যুবক কক্সবাজার শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার নুরুল হকের ছেলে।

পেকুয়া থানা সূত্র জানায়, গত ১৭ মে রাতে পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের করিমদাঁদ মিয়ার ঘাট এলাকা থেকে সাগর পথে মালয়েশিয়াগামী ৬৭ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় একটি চক্রের মাধ্যমে প্রতিজন এক লাখ ৬০ হাজার টাকায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিল এসব রোহিঙ্গা। এ ঘটনায় ১৮মে জড়িত ১১জনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করেন পেকুয়া থানার এসআই সুমন সরকার। এ মামলায় এজাহারনামীয় ছয়জন আসামি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কাজী আব্দুল মালেক বলেন, মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে কক্সবাজার শহরের দুই চিহ্নিত মানবপাচারকারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। মামলার আসামি মঞ্জুর আলমের মুঠোফোনের সূত্র ধরে শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজার শহর থেকে একরামুল হককে আটক করা হয়। শনিবার দুপুরে আটক যুবক একরামুল হক প্রকাশ জুয়েলকে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের পর তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তিনি আরো বলেন, একরামুল দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত। কক্সবাজার সদর থানায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা একটি মানবপাচার মামলার প্রধান আসামিও একরামুল। আদালতে একরামুল স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেন, পেকুয়া থানার মানবপাচার মামলার আসামি মঞ্জুর আলম তাঁর বন্ধু। তাঁরা একসঙ্গে কক্সবাজার হাসেমিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছে। সাগর পথে নৌকায় করে রোহিঙ্গাদের মালয়েশিয়া পাঠালে বেশি টাকা আয় করা সম্ভব। এই লোভে পড়ে মানবপাচারে জড়িত হয়।

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2019

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!