পেকুয়ায় নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে যাত্রী ছাউনি

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০ | ১:১২ অপরাহ্ণ | 68 বার

পেকুয়ায় নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে যাত্রী ছাউনি

কক্সবাজারের পেকুয়ায় সুষ্ঠু তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে করিমদাদ মিয়া ঘাটের একমাত্র যাত্রী ছাউনি।
সরেজমিনে দেখা যায়, উজানটিয়া ইউনিয়নের করিমদাদ মিয়ার ঘাটে অবস্থিত এ যাত্রী ছাউনিটির দুই ভিত্তি স্তম্ভ নদী ভাঙনের কারনে ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। মূল কাঠামো কোনরকম নদীর তীর ঘেষে দাঁড়িয়ে আছে। যা যেকোনো মূহুর্তে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ১৯৮৭ সালে জেলা পরিষদের তত্ত¡াবধানে করিমদাদ মিয়া ঘাট সংলগ্ন এ যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করা হয়। পেকুয়া উপজেলার সাথে পাশ্ববর্তী উপক‚লীয় এলাকা বদরখালী, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম করিমদাদ মিয়া ঘাট। এই নৌপথে প্রতিদিন কয়েক শতাধিক মানুষ
চলাচল করার কারনে এ যাত্রী ছাউনির উপযোগিতা অত্যধিক। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অযতœ অবহেলার ফলে যাত্রী ছাউনিটি নদী গর্ভে বিলীন হবার উপক্রম হয়েছে।
স্থানীয় রাজনীতিবিদ রেজাউল করিম চৌধুরী মিন্টু বলেন, যাত্রী ছাউনিটি নদী পারাপার করা যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নৌকার জন্য অপেক্ষারত মানুষ সেখানে বসে সময় কাটায়। এটি বিলীন হয়ে গেলে যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হবে।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভেঙ্গে পড়া যাত্রী ছাউনিটি থেকে ফেরাসিঙা পাড়ার বাসিন্দা মো. মনু মিয়া লোহা ও ইট খুলে নিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘জেলা পরিষদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এ যাত্রী ছাউনি সরকারি স¤পত্তি। এই স্থাপনা কেউ কুক্ষিগত করতে চাওয়াটা হবে অপরাধের নামান্তর।’
পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী জাহেদুল আলম বলেন, এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিলীন হওয়ার বিষয়ে আমরা অবগত ছিলাম না। শীঘ্রই একটি প্রতিনিধি দল পরিদর্শনে পাঠানো হবে।

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2020

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!