নতুন বছরের প্রথম বৃষ্টিতে ভোগান্তি

বৃহস্পতিবার, ০২ জানুয়ারি ২০২০ | ৪:৩৪ অপরাহ্ণ | 119 বার

নতুন বছরের প্রথম বৃষ্টিতে ভোগান্তি

ইংরেজী নতুন বছরের প্রথম দিনে কক্সবাজারে বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১জানুয়ারি) সকাল থেকে মেঘলা আকাশ ও পরে অঝুরধারায় বৃষ্টি নেমে আছে। সকাল থেকে দিনব্যাপী মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। দিনের শুরুর দিকে হালকা হলেও দুপুরের দিকে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে করে বছরের প্রথম দিন বই উৎসবে অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক, অফিসগামী মানুষসহ অনেককে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। সড়ক ও রাস্তায় পানি জমে কাদায় ভরে গেছে। শীতের এ সময়ে মোষল ধারে বৃষ্টি হওয়ায় শীতের পরিমান বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, সকাল ও দুপুরে ১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং আগামী আরো দুইদিন (২ ও ৩ জানুয়ারি) বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় প্রচন্ড শীত ও শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে সমুদ্র বন্দরের জন্য কোন ধরণের সংকেত নেই’।
এদিকে সকাল ও দুপুরের আকস্মিক বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ ও পথচারিরা। বিশেষ করে সকালে কক্সবাজার শহরের কবিতা চত্ত্বর এলাকায় প্রস্তাবিত শেখ রাসে শিশুপার্ক প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বই উৎসবে আসা শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়েছে বেশী।
কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শেহেবা মুনতাহিনা জানান, ‘নতুন বছরের নতুন বইয়ের জন্য আসছিলাম। কিন্তু, হঠাৎ বৃষ্টি হওয়াতে শুধু আমি নয়, আমার নতুন বই গুলো ভিজে গেছে। এতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি’।
বই উৎসবে আসা অভিভাবক শফিকুর রহমান বলেন, ‘সকালে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও পরে যে হঠাৎ এভাবে বৃষ্টি হবে চিন্তাও করিনি। একদিকে ছাতা নেই, অন্যদিকে বই উৎসব অনুষ্ঠানে ত্রিপলের ছাউনি নেই। এছাড়াও আশপাশের কোন এলাকায় বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য কোন ধরণের ্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে হয়েছে’।
আকস্মিক বৃষ্টিতে সদ্য শুরু হওয়া লবণ মাঠের উৎপাদিত লবণ, শীতকালিন সবজিসহ নানা ফসলি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
কক্সবাজার সদর উপজেলার লবণ চাষী সমিতির সভাপতি মোরশেদুর রহমান খোকন জানান, ‘আকস্মিক বৃষ্টিতে লবণ চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চলতি লবণ মৌসুমে ৬১ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ শুরু হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি হওয়ায় প্রায় কোটি টাকার লবণ নষ্ট হয়ে গেছে।’
কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আবুল কাশেম দাবি করেন, ‘লবণের ক্ষতির বিষয়টি এখনই বলতে পারছি না। বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে শীতকালীন সবজি ও কৃষিক্ষেত্রে বৃষ্টিতে উপকার হয়েছে। বিশেষ করে শীতকালিন সবজির ক্ষেত্রে বৃষ্টি আর্শিবাদে পরিণত হয়েছে’।

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2020

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!