এইমাত্র পাওয়া

x

ধসে পড়েছে সোনারপাড়া সাইক্লোন শেল্টার: প্রাণহানির আশংকা

শনিবার, ২৭ জুলাই ২০১৯ | ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ | 149 বার

ধসে পড়েছে সোনারপাড়া সাইক্লোন শেল্টার: প্রাণহানির আশংকা

ধসে পড়েছে উখিয়ার সোনারপাড়া সাইক্লোন শেল্টার। দীর্ঘ ৮ বছর আগে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ধরণের ব্যবস্থা নেয়নি। এ কারণে পুরনো ভবণের অংশবিশেষ একের পর এক ধসে পড়ছে। শুক্রবার (২৬জুলাই) দুপুরে ওই ভবণের একাংশ ধসে পড়ে। তবে কোন ধরণের হতাহত হয়নি। তবে যেকোন সময় ভবনটি ধসে পড়ে বড় ধরণের প্রাণহানির আশংকা দেখা দিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ‘দুপুরের দিকে ভারি বৃষ্টি হচ্ছিল। এমন সময়ে সোনারপাড়া পরিত্যক্ত সাইক্লোন শেল্টারের একাংশ ধসে পড়ে। এতে ভবনের পাশে অবস্থিত স্কুল, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আশপাশের মানুষ আতংকিত হয়ে পড়ে। উক্ত ভবনটির দক্ষিণপাশে সোনারপাড়া দাখিল মাদ্রাসা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হেফজখানা ও জামে মসজিদ রয়েছে। উত্তর পাশে রয়েছে খেলার মাঠ ও সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়। ভবনের নিচ দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত করছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় উক্ত ভবনটি দীর্ঘ ৮ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষনা করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। কিন্তু, প্রশাসন ঘোষনা বাস্তবায়ন করেনি।

১৯৭৭ সালে উপকূলবাসীকে ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচতে ৫তলা বিশিষ্ট ভবণটি নির্মাণ করে সরকার। পরে সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঠদান ও ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই ভবনটি। কোন ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে উপকুলীয় অঞ্চলের মানুষ আশ্রয় নেন উক্ত ভবনটিতে। কিন্তু, দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ঘোষনার পরও উপকুলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ কবলিত এলাকার মানুষের জন্য নতুন কোন ধরণের সাইক্লোন শেল্টার গড়ে উঠেনি।

সোনারপাড়া জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা রহমত উল্লাহ জানান, ‘পরিত্যক্ত এই ভবনটি এতই ঝুঁকিপূর্ণ যে, নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিসহ সবাই সবসময় আতঙ্কে থাকেন। এছাড়া পরিত্যক্ত ভবনটি জুয়াড়ি ও মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এ কারণে সবার মনে আতংক বিরাজ করছে’।

সোনারপাড়া মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি, জালিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এস এম ছৈয়দ আলম জানান, ‘আট বছর আগে সাইক্লোন শেল্টারটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন উখিয়ার তৎকালীন ‘ইউএনও’। এরপর ভবনটি ভাঙ্গার জন্য বারবার অনুরোধ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি’।

জানতে চাইলে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘এই ভবনটি নির্মাণ ও অপসারণ বা ভাঙার দায়িত্ব হলো শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের। আমি নিজেই তাদের কাছে চিঠি লিখেছি। এখনও বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করছি। আশা করি যে কোন একটি ব্যবস্থা হয়ে যাবে’।

আবরারের মৃত্যু আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গেল – ইশতিয়াক আহমেদ
দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2019

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!