টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত

রবিবার, ০৭ জুন ২০২০ | ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ | 47 বার

টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত

টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় একজন রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ। তার নাম মোহাম্মদ শরিফ (২৬) । সে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা শালবাগান রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের ডি-১ ব্লকের বাসিন্দা আব্দূস সালাম ওরফে মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে। পুলিশের ভাষ্যমতে, নিহত ব্যক্তি একজন রোহিঙ্গা ডাকাত জকির গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় তৈরি এলজি, ৭ রাউন্ড গুলি ও আট রাউন্ড খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় এএসআই মোহাম্মদ আমির ও কনস্টেবল মোহাম্মদ আজিজ আহত হয়েছে।

শনিবার রাত ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা শালবাগান রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের ডি-৩ ও ডি-৪ এর মাঝখানে পাহাড়ের পাদদেশে বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে।

এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি প্রদীপ কুমার দাস। ওসি বলেন, শনিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, জাদিমোরা শালবাগান রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে মাঝখানের পাহাড়ের পাদদেশে রোহিঙ্গা ডাকাত জকির আহমদের নেতৃত্বে অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে অবস্থান করছে। থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক এসআই জামশেদ আহমদের নেতৃত্বে অভিযানে গেলে রকেট বাহিনীর সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এসময় এএসআই মো আমির ও কনস্টেবল আহত হয় পরে পুলিশ পাল্টা গুলি ছোড়ে। উভয় দলের মধ্যে কয়েক মিনিট গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে । এরপর ডাকাতদলের সদস্যরা পিছু হটে । গুলি করতে করতে তারা গভীর পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায় । পরে স্থানে তল্লাশি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজন, দুইটি এলজি, ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৮ রাউন্ড কার্তুজের খোসা জব্দ করা হয়েছে । পরে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি ও পুলিশের দুই সদস্যকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক টিটু চন্দ্র শীল বলেন, সাধারণ পোশাকে থাকা ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক। পোশাকে থাকা পুলিশের দুজন সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর উন্নত চিকিৎসার জন্য সাধারণ পোশাকে থাকা ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2020

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!