উখিয়া ২ শত শয্যার ২ টি আইসোলশন সেন্টার উদ্বোধন

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২০ | ৫:৩৯ অপরাহ্ণ | 41 বার

উখিয়া ২ শত শয্যার ২ টি আইসোলশন সেন্টার উদ্বোধন

উখিয়ায় সিভিয়ার একিউট রেস্পিরেটরি ইনফেকশন (এসএআরআই) আইসোলেশন এন্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার চালু করলো সরকার ও ইউএনএইচসিআর।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ও ১৮ মে পৃথকভাবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোঃ মাহবুব আলম তালুকদারের নেতৃত্বে অংশীদার সংস্থা ফুড ফর দ্য হাংরি, রিলিফ ইন্টারন্যাশনাল, ব্র্যাক ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে মিলে ইউএনএইচসিআর ও বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজারে শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের জন্য দুইটি সিভিয়ার একিউট রেস্পিরেটরি ইনফেকশন আইসোলেশন এন্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার (এসএআরআই আইটিসি) উদ্বোধন করেন।

এই দুটি এসএআরআই আইটিসি’র একটি কুতুপালং ৫ নম্বর ক্যাম্পে ও অপরটি উখিয়ায় অবস্থিত। প্রায় ২০০ শয্যা বিশিষ্ট এই কেন্দ্র দুইটিতে কোভিড-১৯ এর গুরুতর রোগীদের সেবা দেয়া হবে, চিকিৎসা পাবে শরণার্থী ও স্থানীয় সবাই।

গত ১৮ মে প্রথম এসএআরআই আইটিসি অনলাইনে উদ্বোধন করার সময় মোঃ মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, “এটি একটি ঐতিহাসিক মুহুর্ত। এই মানবিক কার্যক্রমের শুরু থেকেই ইউএনএইচসিআর বাকিদের জন্য পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে।”

বৃহস্পতিবার উখিয়ায় ১৪৪ শয্যার দ্বিতীয় এসএআরআই আইটিসিটি উদ্বোধনকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে ইউএনএইচসিআরকে জানাচ্ছি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। ইউএনএইচসিআর-এর তৈরি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে শরণার্থী ও স্থানীয় কোভিড-১৯ রোগীদেরসেবা দেয়া হবে।”

ইউএনএইচসিআর-এর সিনিয়র অপারেশনস ম্যানেজার হিনাকো টোকি বলেন, “এখন ক্যাম্পের ভেতরের ও বাইরের রোগীদের আইসোলেশন করে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে, যেন তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন। গুরুতর রোগীদের আইসোলেশন সেন্টারে রাখার কারণে তাদের পরিবার ও এলাকা কম ঝুঁকিতে থাকবে। এটি আমাদের সবার একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অর্জন।”

এই দুইটিএসএআরআই আইটিসিকোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তার বৃহত্তর মানবিক প্রয়াসের একটি অংশ। এর আরেকটি উদ্দেশ্য এই রোগের গুরুতর রোগীদের মেডিক্যাল চাহিদা নিশ্চিত করা। পুরো জেলায় শরণার্থী ও স্থানীয়দের জন্য ১২টি এসএআরআই আইটিসি করা হবে, যেখানে সর্বমোট শয্যা সংখ্যা হবে ১,৯০০টি।

কক্সবাজার জেলার সকল সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শরণার্থী ক্যাম্পের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ইতিমধ্যেই পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সহ আরও আনুসাঙ্গিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ইউএনএইচসিআরএর সহযোগিতায় তৈরি হচ্ছে ১০টি আইসিইউ বেড ও ৮টি হাই ডিপেনডেন্সি বেড। শীঘ্রই শেষ হতে যাওয়া এই ইউনিটে জনবলও দিবে ইউএনএইচসিআর, যাদের কাজ হবে গুরুতর রোগীদের সেবা দান।

দরিদ্রতা থামাতে পারেনি মহেশখালীর সাজ্জাদ হোসেনকে
দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2020

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!