এইমাত্র পাওয়া

x

‘আরআরআরসি‘র স্ব-ঘোষিত পিআরও সৈকত বিশ্বাস!

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯ | ২:৪৪ পূর্বাহ্ণ | 182 বার

‘আরআরআরসি‘র স্ব-ঘোষিত পিআরও সৈকত বিশ্বাস!

কক্সবাজার শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের স্ব-ঘোষিত পিআরও যেন সৈকত বিশ্বাস। যিনি মুলত ইন্টার সেক্টর কডিনেশন গ্রুপ নামের একটি এনজিও সমন্বয় সংস্থার মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু তা না করে কক্সবাজারের শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়টি বলতে গেলে এক প্রকার সৈকত বিশ্বাসের ইশারাতেই চলছে। এনজিওদের পক্ষে হয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্ব করতে সৈকত বিশ্বাস শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাস কার্যালয়কে ভুল বুঝিয়ে ব্যবহার করছেন।

একইভাবে রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে আরআরআরসির কার্যালয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন টাস্কফোর্সের জরুরী সভায়ও খবরদারিত্ব করতে দেখা গেছে তাকে। তার বাধার কারনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে গনমাধ্যমের সামনে কোনধরনের কথা বলতে রাজি হননি ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম।

রোহিঙ্গ্যা প্রত্যাবাসনে জরুরী সভার সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকরা জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার  জরুরী সভার সংবাদ সংগ্রহের সময় সৈকত বিশ্বাস বারবার বাধা প্রদান করেছে। সে নিজে টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য না হয়ে বারবার টাস্কফোর্সের সভায় আসা যাওয়া করেছে। সভা শেষে সাংবাদিকরা শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের বক্তব্য নিতে গেলে সৈকত বিশ্বাস বাধা প্রদান করেন। তিনি কমিশনার আবুল কালামকে সংবাদ মাধ্যমে কথা না বলার পরামর্শ দেন। সৈকত বিশ্বাসের পরামর্শে শরনার্থী কমিশনার আবুল কালাম সংবাদ মধ্যমে কোন কথা বলেননি।

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের বলেন, এনজিও সমন্বয় সংস্থার কর্মচারী সৈকত বিশ্বাস আজকে সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে বাধা প্রদান করেছে। এছাড়াও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন টাস্কফোর্সে সভা নিয়ে কমিশনার আবুল কালামকে বক্তব্য প্রদানে সৈকত বিশ্বাস বাধা প্রদান করেছেন। বিষয়টি নিয়ে কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়ন সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলবেন।

কক্সবাজার রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, সৈকত বিশ্বাস কোন সরকারী কর্মকর্তা নয়। আর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন টাস্কফোর্সের সদস্যও নন সৈকত বিশ্বাস। রাষ্ট্রিয় জরুরী মিটিংএ তার বিচরণ কোন ভাবেই কাম্য নয়। দীর্ঘদিন ধরে তার শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনে সৈকত বিশ্বাস একছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে। তার বিষয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। সে নিজেকে স্ব-ঘোষিত পিআরও হিসেবে দাবি করছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সৈকত বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, আমি শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনের কেউ নন বা টাস্কফোর্সের সদস্যও নন। ইন্টার সেক্টর কোওডিনেশন গ্রুপ সদস্য হিসেবে আরআরআরসি অফিসের একটি রুমে অফিস করি। আজকের টাস্কফোর্সের বৈঠক চলাকালে বৈঠকের গোপনিয়তা বজায় রাখতে সরল মনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন। আর কমিশনার আবুল কালাম সাংবাদিকের সাথে কথা না বলার বিষয়ে আমি কোন দিক-নির্দেশনা দেনয়নি বলেও দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র কমিশনার আবুল কালামের অনিহার কথা তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন। এটি নিছক ভুল বোঝাবুঝি মাত্র।

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2019

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!