এইমাত্র পাওয়া

x

কোরবানি পশু বিতরণ

অনাথ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটালেন কক্সবাজারের ডিসি

শনিবার, ১০ আগস্ট ২০১৯ | ৯:৫৩ অপরাহ্ণ | 468 বার

অনাথ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটালেন কক্সবাজারের ডিসি

অনাথ ও সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের মুখে হাসি ফোটালেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। বাবা-মা বিহীন যেসব শিশুরা এক টুকরো মাংসের অপেক্ষায় চিন্তায় ছিল জেলা প্রশাসক অভিভাবকের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় এখন তাদেরও কোরবানের ঈদ কাটবে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ হওয়া কোরবানীর পশু থেকে ৩০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগণের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। সেখান থেকে কিছু পশু অনাথ এবং সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের কল্যাণমূলক ও পুর্নবাসন প্রতিষ্ঠান অথবা সংগঠনে বিতরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এবার কোরবানের ঈদে অনাথ ও পথশিশুদের মাঝেও বাড়তি আনন্দ যোগ করেছেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পথশিশুদের কল্যাণমূলক সংগঠন ‘নতুন জীবন’, সরকারী শিশু পরিবার, শেখ রাসেল ঝুঁকিপূর্ণ শিশু পুর্নবাসন কেন্দ্র, বিভিন্ন এতিমখানাসহ সরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী অনেক শিশু কল্যাণমূলক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানে কোরবানির পশু বিতরণ করেছেন জেলা প্রশাসক।

শনিবার (১০ আগষ্ট) দুপুরে শহরের বাহারছড়াস্থ গোলচত্বর মাঠে এসব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের হাতে কোরবানির পশু তুলে দেওয়া হয়। কোরবানির পশু বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আশরাফুল আফসার, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান এবং জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মো. রইসউদ্দিন মুকুল।

পথশিশুদের কল্যাণমূলক সংগঠন ‘নতুন জীবন’ এর সভাপতি ওমর ফারুক হিরু বলেন, ‘সব সময় জেলা প্রশাসক মহোদয় নানা সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে থাকেন।

পথশিশুদের উন্নয়নে তিনি অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর (ডিসি) কাছে কৃতজ্ঞ।’

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আশরাফুল আফসার বলেন, ‘স্যার সব সময় অনাথ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কথা ভাবেন। ঈদ-কোরবান ছাড়াও সব সময় তাদের খোঁজ খবর নেন। তাদের উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন এবং নিচ্ছেন। সেগুলো বাস্তবায়নেও আপ্রাণ চেষ্টা করেন। এবার কোরবানের ঈদে স্থানীয়দের জন্য বরাদ্দ থেকে কিছু পশু অনাথ ও সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনে বিতরণ করেছেন। যাতে তারাও আমাদের মত ভালভাবে কোরবানের ঈদ উদযাপন করতে পারে।’

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘অনাথ ও পথশিশুদের কোন অভিভাবক নেই। তারা হয়ত সরকারি কোন শিশু পরিবার অথবা পুর্নবাসন কেন্দ্রে বড় হচ্ছে নতুবা স্বেচ্ছাসেবী কোন সংগঠনের অধীনে বেড়ে উঠছে। এসব শিশুদের যাতে ঈদের সময়ে মন খারাপ না হয়, তারা যাতে ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য প্রায় অনাথ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনে কোরবানির পশু দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ’

দৈনিক দৈনন্দিন এ প্রকাশিত কোন ছবি,সংবাদ,তথ্য,অডিও,ভিডিও কপিরাইট আইনে অনুমতি ব্যতিরেখে ব্যবহার করা যাবে না ।

Copyright @ 2019

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!